
মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে গলাকাটা লাশ হয়ে ফিরলেন মা
সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:-সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার চিনাকান্দি গ্রামে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে গলাকাটা লাশ হয়ে ফিরলেন মা।
ঘটনাটি ঘটেছে ২৮সেপ্টেম্বর সোমবার গভীর রাতে। পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় জামালগঞ্জ উপজেলার মাহমদপুর গ্রামের বাসিন্দা মারজিয়ার বেগম(৪৫) তিনি মেয়ের বাড়িতে বিশ্বম্ভপুর থানাধীন চিনা কান্দি গ্রামে বেড়াতে যান।
সেখান থেকে গলা কাটা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে মেয়ে এবং মেয়ের জামাতা সোমবার গভীর রাতে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন।তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক মারজিয়ার বেগমকে পরিক্ষা নিরিক্ষা করে মৃত ঘোষনা করেন।মৃত মারজিয়ার বেগমের স্বামীর নামআব্দুল খান সাহেব,তিনি একজন আলেম।
জানা যায় মেয়ে সাদিয়া বেগম চিনা কান্দি গ্রামে সুলতান মিয়ার বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। সেখানে মা মারজিয়ার বেগম বেড়াতে যান। তবে কি করে মারজিয়া বেগমের গলাকাটার ঘটনা ঘটেছে তা এখনো জানা যায়নি। এব্যপারে সাংবাদিকদের সাথে কোন কথা বলতে চান না মৃত মারজিয়ার বেগমের স্বজনরা।যার ফলে মারজিয়ার বেগমের মৃত্যু এখন একটি রহস্যময় মনে করছেন স্থানীয়রা।
গভীর রাতে মেয়ের বাড়িতে একজন মায়ের গলাকাটা লাশ কেন? কি হয়েছিল মারজিয়ার বেগমের সাথে? কে-ইবা স্বজনরা সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি নন? এব্যপারে জানতে চাইলে স্বজনদের কারও কাছ থেকে কোন সঠিক উত্তর পাওয়া যায়নি।এছাড়া ও মারজিয়া বেগমের পরিবার একটি আলেম পরিবার ইসলামিক দৃষ্টিগুন থেকে তারা হয়তো ক্যামেরা আসতে রাজি নন।
এব্যপারে সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন গভীর রাতে হাসপাতালে গলাকাটা মহিলাকে রক্তাক্ত অবস্থা নিয়ে আসেন তার স্বজনরা আমরা পরিক্ষা করে তাকে মৃত পাই।পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারন জানা যাবে।
এব্যপারে সুরতহাল প্রস্তুতকারী সদর থানার পুলিশের এসআই জানান আমি ডিউটিরত থাকাকালীন সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সদর থানায় বিষয়টি জানালে আমি হাসপাতালে আসি এবং সুরতহাল প্রস্তুত করি। মারজিয়া বেগম নামে গলাকাটা মহিলার লাশ দেখতে পাই এবং লাশ মর্গে প্রেরণ করি তবে তার মৃত্যুর কারন ময়নাতদন্তের পর জানতে পারবো।
এব্যপারে বিশ্বম্ভপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আহমদ উল্লাহ জানান,ঘটনার খবর পেয়েছি ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছে তদন্ত কাজ অব্যাহত আছে তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
প্রতিবেদকের নাম 














